কোন বন্ধু নাই। কথা বলতে হলে যোগ দিতে হবে আড্ডায়।নাহ্ কয়জনার সামর্থ আছে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর। ড্রেনের পোকা কিঁড়াগুলি কিলবিল করে এই প্রলিফিক আবহাওয়াতে। রাস্তার দিকে নজর যায় না। কিন্তু তবুও শোরগোল কিছুটা কানে আসলে তখন তাকাতেই হয়। হ্যাবলা চোখে কেবল না পারে কিছু দেখতে আর না পারে মানুষেরও নজর এড়াতে এমন ক্যাবলাকান্ত (Cable)দের প্রাধান্য চোখে পড়ার মত এখানে। আড্ডাখানা জমজমাট থাকে। হামেশাই গোলমালে উচ্চকিত হতেও বাধা নাই কোথাও। বুড়িমারিতে বন্ধুবান্ধবের বড়ই অভাব। কথা হল শুরু এভাবেই। ছোট ভাই কাছেই আছে। মারুফা ছাদে বসে রোদ পোহাচ্ছে। সাত সকালের শীতের তীব্রতা কমা তো দূরেই থাক এখন সকাল দশটাতেও আরো বলে বেড়েছে মনে হয়। কুয়াশার চাদর থেকে সূর্য উঁকি দিয়েছে সবে।তাই হবে হয়ত এইজন্য। এই ছোট শহরের কারোরই যেন চাওয়া পাওয়া নাই।পৃথিবীটা অনেক বড় হলেও এদের সেই ধারনাটা কেবল দূরবীন দিয়ে দেখার মত।বেশিরভাগ মানুষই এখানে কি রকম নিস্পূহ থাকে।তবুও কাহিনী আছে। যার অধিকাংশই আড্ডাখানার অবাস্তব সব কাহিনী। বাংলা কবিতায় যেমনটা এসেছে, ''থাকবোনা আর বদ্ধ ঘরে দেখবো এবার জগৎটাকে..'' বন্ধু পাওয়া না পাওয়ার কথা নয়। ...
হেরে গিয়ে কেঁদে ফেলি