সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

কথা হল শুরু চিরির বন্দর বুড়িমারি উপজেলা।

 কোন বন্ধু নাই। কথা বলতে হলে যোগ দিতে হবে আড্ডায়।নাহ্ কয়জনার সামর্থ আছে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর। ড্রেনের পোকা কিঁড়াগুলি কিলবিল করে এই প্রলিফিক আবহাওয়াতে। রাস্তার দিকে নজর যায় না। কিন্তু তবুও শোরগোল কিছুটা কানে আসলে তখন তাকাতেই হয়। হ্যাবলা চোখে কেবল না পারে কিছু দেখতে আর না পারে মানুষেরও নজর এড়াতে এমন ক্যাবলাকান্ত (Cable)দের প্রাধান্য চোখে পড়ার মত এখানে। আড্ডাখানা জমজমাট থাকে। হামেশাই গোলমালে উচ্চকিত হতেও বাধা নাই কোথাও।  বুড়িমারিতে বন্ধুবান্ধবের বড়ই অভাব। কথা হল শুরু এভাবেই। ছোট ভাই কাছেই আছে। মারুফা ছাদে বসে রোদ পোহাচ্ছে। সাত সকালের শীতের তীব্রতা কমা তো দূরেই থাক এখন সকাল দশটাতেও আরো বলে বেড়েছে মনে হয়। কুয়াশার চাদর থেকে সূর্য উঁকি দিয়েছে সবে।তাই হবে হয়ত এইজন্য। এই ছোট শহরের কারোরই যেন চাওয়া পাওয়া নাই।পৃথিবীটা অনেক বড় হলেও এদের সেই ধারনাটা কেবল দূরবীন দিয়ে দেখার মত।বেশিরভাগ মানুষই এখানে কি রকম নিস্পূহ থাকে।তবুও কাহিনী আছে। যার অধিকাংশই আড্ডাখানার অবাস্তব সব কাহিনী। বাংলা কবিতায় যেমনটা এসেছে,  ''থাকবোনা আর বদ্ধ ঘরে দেখবো এবার জগৎটাকে..'' বন্ধু পাওয়া না পাওয়ার কথা নয়। ...
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

একটি সৌভাগ্য আনতে সামাজিকতা দরকার কিন্তু অন্যদিকের সত্য হচ্ছে এই যে সৌভাগ্য এটা বয়ে বেড়ানোটা হচ্ছে আসলে দূর্ভাগ্যের প্রতীক

 বর্ননার অতীত অনুভূতিগুলি কাউকে বলে ফেলতে চায় এটা অনেক মানুষেরই আন্তরিক কামনা থাকে হয়তো। কিন্তু বলতে চাইলেই কি বলার মত মানুষ পাবে কিংবা অন্ততঃ শোনার মত কান তো থাকতেই হবে। তাহলে শ্রোতা এবং বক্তার মধ্যে সমন্বয় সাধন হয় কি করে। বিনা পয়সায় অন্যের ''খাবি খাওয়ার'' জীবন কাহিনী কে ই বা শুনতে যাবে, তা ও অনেকটা গায়ে পড়ে। সবাইতো আর একজীবনে একসাথে অর্থনৈতীক দূর্ভাগ্যের পাল্লায় পড়ে না। যে বৃদ্ধ এখন সীমাহীন দূর্দশাগ্রস্ত তারও তো জওয়ানি একটি সময় ছিলো যে সময়টা সে উপভোগে না হলেও নিদারূন দূর্দশা ছাড়াই পেরিয়ে এসেছে। এবং তাকে এর জন্য কোন যুদ্ধও করতে হয় নাই। শুধুমাত্র সচেতন মন ও কর্মপ্রবন মানযিকতা এখন বয়ঃবৃদ্ধ ঐ যুবককে তার সময়কে উপভোগ্য করতে প্রভাবিত করতো। এটাই হচ্ছে টানাপড়েনের মধ্য হয়ে বেরিয়ে আসা যৌবনকালের সর্বোত্তম সময় প্রত্যেক মুগ্ধ প্রজন্মের কাছে আরাধ্য। তারপর এই মুগ্ধতা আমরা নিজেরাই আরামসে ব্যাবহার করতে পারি সৌভাগ্যকে স্পর্শ করতেও আশা রাখি। বয়সটি পার হলেও  পুরাতনকে হতাশায় ফিরে তাকাই না। শুধু বলার মত কিছু মানুষের দরকার হয় জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে। যদি এমন কেউ থাকে যিনি কিনা পৃথিবীর সবচাইতে...

টানাপড়েন ছাড়া কি জীবন হয়

 শতভাগ সমস্যাসঙ্কূলতা চারদিক থেকে কি জীবনকে ঘিরে ধরে কখনও। শহুরে সভ্যতায় এটা কি সম্ভব। কারন দূর্বল মানুষের পক্ষে সুযোগের সদ্ব্যাবহার করে চলার যথেস্ট সুযোগ আমাদের সভ্যতায় কয়েকটি শতাব্দী অতিক্রান্ত হলেও আছে। পুরাতন এই সভ্যতায় টিকে থাকার নানান উপাদান এখনও যথেস্ট পরিমানে হয়েছে। পাশবিকতার পাশাপাশি মনুস্বত্ব চর্চাও সমান তালে চলছে। এখন মানুষ শতভাগ দুঃশ্চিন্তার কথা না বলে শতাংশের হিসাবে সমস্যাগুলি চিহ্নিত করতে জানে। টিকে থাকার প্রসঙ্গে সিরিয়াসনেসের কথা আলোচনায় না জড়িয়ে এর চেয়েও বেশি করে সামাজিক বিপ্লবকে প্রাধান্য দিয়ে চলতেও শিখেছে। কিন্তু আমাদের মাতৃভূমি এই দেশ এখন যেমন আছে চিরকালই এমন ছিলো না। কোন একসময় ধানমন্ডি গুলশানের মত এলাকাতেও সন্ধ্যা নামতেই মানুষ তাড়াহুড়ো করে ঘরে ঢুকে ভাল করে খিল লাগিয়ে তবে শু'তো। সেটা ভূতের ভয়ে নাকি অন্য কোন কারনে তা জানিনা। তবে এখনকার উন্নত এসব এলাকার অনেকটাই জঙ্গলময় ছিলো তখন। বাগডাঁশ বনবিড়াল শেয়াল এসবের বিচরন ক্ষেত্র ছিলো। এখন পুরা পৃথিবীতেই জনসংখ্যা ব্যাপক ভাবে বেড়েছে উন্নয়নের তাড়নায়। পৃথিবীতে সাতশত কোটি মানুষ এখন। তারা সবাই যদি একযোগে হুঙ্কার দেয় তখন বাগডাঁশ হ...